ঢাকা  মঙ্গলবার, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Homeউন্নয়নভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের পোশাক খাতে ক্ষতির তেমন আশঙ্কা নেই

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের পোশাক খাতে ক্ষতির তেমন আশঙ্কা নেই

উন্নয়ন বার্তা প্রতিবেদন: ভারত-পাকিস্তান চলমান যুদ্ধের কারণে পোশাক খাতে তেমন ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে মনে করছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলো যুদ্ধ করলে তার কিছু প্রভাব দেশে পড়বে, এটা স্বাভাবিক। এতে সীমান্ত দিয়ে ব্যবসার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। তবে মোটাদাগে পোশাক খাতের তেমন ক্ষতি হবে না।

৭ মে বুধবার বিকেএমইএ নির্বাচনী জোট প্রগ্রেসিভ নিট অ্যালায়েন্সের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ হাতেম এসব কথা বলেন। তিনি এই জোটের প্যানেল লিডার। সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষ থেকে ১৫ দফা ইশতেহার তুলে ধরা হয়। বিকেএমইএ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১০ মে। এবারের নির্বাচনে ৩৫টি পদের বিপরীতে মোট ৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে প্রগ্রেসিভ প্যানেলের ৩৫ জন আর বাকি ৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
 

মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘রপ্তানির ক্ষেত্রে এইচএস কোডের জটিলতা একটি বড় সমস্যা। বন্ড কমিশন থেকে যে এইচএস কোড ব্যবহার করতে বলে, আমাদের সদস্যরা সেটাই করে। তারপরও ভুল এইচএস কোডের অভিযোগ তুলে পণ্য আটকে দেওয়া হয়। এ ছাড়া ফ্রি অব কস্টে (এফওসি) কাঁচামাল আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রে উদ্ভূত জটিলতা, কম্পোজিট ইউনিটের ক্ষেত্রে আমদানি প্রাপ্যতা ও এর ব্যবহার পদ্ধতি সহজীকরণ করার জন্যও আমাদের কাজ করতে হবে। বন্ডেড প্রতিষ্ঠান থেকে নন-বন্ডেড প্রতিষ্ঠানে কাঁচামাল ও অ্যাকসেসরিজ সরবরাহে জটিলতা দূর করা, বন্ড কমিশনারেটে চলমান নানা জটিলতা দূরীকরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা, নন-বন্ডেড প্রতিষ্ঠানকে বন্ড লাইসেন্স করতে এনবিআর বাধ্য করায় তৈরি হওয়া রপ্তানির বাধা দূর করার বিষয়ে জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে আমাদের।’

মোহাম্মদ হাতেম আরও বলেন, বর্তমানে ট্যাক্সেশন পদ্ধতি কোনোভাবেই বিনিয়োগ ও ব্যবসাবান্ধব নয়, বরং ট্যাক্সেশনের মূল চেতনা ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

RELATED ARTICLES