নির্বাচন কমিশন (ইসি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, বিএনপি জোট ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন এবং জামায়াত জোট ১৩টি আসন পেতে পারে। সংরক্ষিত নারী আসন পেতে কমপক্ষে ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকা দরকার। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও কোনো জোটে যোগ দিলে এই আসনে অংশ নিতে পারবে।
ইসি জানিয়েছে, সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলে বিএনপি জোট ২১১টি, জামায়াত জোট ৭৪টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৭টি আসনে জয়লাভ করেছে। খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মতো দলগুলো সরাসরি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে সক্ষম হয়নি, তবে অন্য দলের সঙ্গে জোট করে তারা সহায়তা করতে পারবে।
চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত, বগুড়া-৬ আসন শূন্য এবং শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ভোট স্থগিত। এই চারটি আসনের ফলাফলের পর সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।
সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের ভোট নেওয়া হবে। ভোটগ্রহণের দায়িত্ব নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা পালন করবেন, এবং দলগুলো তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুযায়ী প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। একক প্রার্থী থাকলে ভোটের প্রয়োজন হবে না, কিন্তু একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোট হবে এবং সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্তরা নির্বাচিত হবেন।
আইন অনুযায়ী, শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যদের তথ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে ইসিতে পাঠানো হয়। এরপর দল বা জোট ২১ কার্যদিবসের মধ্যে প্রার্থী তালিকা জমা দেবে এবং ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ইসি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন পরিচালনা করবে।

