ঢাকা  শনিবার, ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Homeজাতীয়আন্তর্জাতিক মা দিবস ২০২৫ : মা নিয়ে আলোচিত ১২ সিনেমা

আন্তর্জাতিক মা দিবস ২০২৫ : মা নিয়ে আলোচিত ১২ সিনেমা

উন্নয়ন বার্তা ডেস্ক: আজ আন্তর্জাতিক মা দিবস। এ উপলক্ষে ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’ তাদের নিজস্ব চলচ্চিত্র সমালোচকদের বাছাই করা এমন ১২টি ছবির একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যা ‘মা’কে কেন্দ্র করে তৈরি এবং অবশ্যদর্শন হিসেবে বিবেচিত। তালিকায় জায়গা পেয়েছে ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভাষা ও ঘরানার চলচ্চিত্র। কোন ছবিগুলো জায়গা পেয়েছে সেই তালিকায়? চলুন শুরু করি শেষ থেকে।

সাহিত্য, সংগীত, চিত্রকলা কিংবা নাটকে যেমন বারবার ফিরে আসে ‘মা’-এর অবয়ব, ঠিক তেমনি চলচ্চিত্রেও বারবার ছুঁয়ে গেছে মাতৃত্বের নানা রং, নানা বাস্তবতা। বিশ্বের নানা দেশের নির্মাতারা তাঁদের ক্যামেরায় বন্দী করেছেন মায়ের হাসি-কান্না, সংগ্রাম আর স্বপ্নকে। মাকে নিয়ে নির্মিত বহু চলচ্চিত্র কখনো দর্শকের চোখে জল এনেছে, কখনো হৃদয় ভরিয়ে দিয়েছে মমতায়।

মাদার
১৯২৬ সালে মুক্তি পায় ম্যাক্সিম গোর্কির উপন্যাসভিত্তিক ছবি ‘মাদার’। সমালোচকদের মতে, হয়তো সব ‘মা নিয়ে নির্মিত’ ছবির মধ্যে সবচেয়ে বেশি উদ্বুদ্ধ করে ছবিটি।

ইমিটেশন অব লাইফ
এই হলিউডি রোমান্টিক ছবিটিও উপন্যাসভিত্তিক। মুক্তি পায় ১৯৫৯ সালে। বিধবা তারকা মায়ের গল্প এটি। মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন লানা টারনার।

‘অল অ্যাবাউট মাই মাদার’ সিনেমার দৃশ্য। আইএমডিবি
 

অল অ্যাবাউট মাই মাদার
স্প্যানিশ এই ছবি মুক্তি পায় ১৯৯৯ সালে। এক কিশোর ও তাঁর নার্স মায়ের গল্প এটি। সেরা বিদেশি ভাষার ছবির অস্কার কিন্তু এই ছবির ঝুলিতে গেছে। সমালোচকদের পরামর্শ, যাঁরা মা হতে চান, তাঁরা দেখে নিন ছবিটি।

ব্রিটিশ-আমেরিকান মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার ছবিটি মুক্তি পায় ২০১১ সালে। কেভিন ও তাঁর মাকে নিয়ে ছবির গল্প। একই নামের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে ছবিটি। মায়ের চরিত্রে অভিনয় করা টিল্ডা সুইনটন বাফটা, গোল্ডেন গ্লোব আর স্ক্রিন অ্যাক্টর গিল্ডস অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পেয়েছেন সেরা অভিনেত্রীর।

‘টার্মস অব এনডিয়ারমেন্ট’ সিনেমার প্রচ্ছদ। আইএমডিবি
 

টার্মস অব এনডিয়ারমেন্ট
হাস্যরসাত্মক হলিউডি ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৩ সালে। ১১টি মনোনয়ন পেয়ে ৫টি অস্কার জেতে মা-মেয়ের গল্পের এই ছবি। গোল্ডেন গ্লোব তো আছেই। মায়ের চরিত্রে অভিনয় করা ম্যাকলেইনি দুটিতেই জিতে নিয়েছিলেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার।

মাস্ক
১৯৮৫ সালে হলিউডে মুক্তি পায় জীবনীভিত্তিক এই ছবি। ছেলের অসুখের সঙ্গে মায়ের লড়াই চোখে পড়বে সত্য ঘটনার এই ছবিতে। কানের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারটা গেছে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করা শেরের ঝুলিতে।

অস্ট্রেলিয়ান-কানাডিয়ান এই ভৌতিক মনস্তাত্ত্বিক ছবিটি মুক্তি পায় ২০১৪ সালে। স্বামীর মৃত্যুর পর ছয় বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে বিধবা মায়ের গল্প দেখানো হয়েছে এই ছবিতে। এসি ডেভিস অভিনয় করেছেন মায়ের চরিত্রে। বক্স অফিসে ভালো সারা ফেলেছিল ‘দ্য বাবাডুক’।

মামা রোমা
১৯৬২ সালে মুক্তি পায় ইতালির এই ছবিটি। সাবেক যৌনকর্মী ও তাঁর ১৬ বছর বয়সী ছেলের কষ্টের জীবন নিয়ে গড়ে উঠেছে ছবির গল্প। যৌনকর্মী ও মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অ্যানা মাগনানি।

 ‘অ্যালিস ডাস নট লিভ হিয়ার অ্যানিমোর’ সিনেমার দৃশ্য। আইএমডিবি
 

অ্যালিস ডাস নট লিভ হিয়ার অ্যানিমোর
১৯৭৪ সালে মুক্তি পাওয়া হলিউডের এই ছবিও কৌতুকপূর্ণ। বিধবা মা ছেলেকে নিয়ে সুখের জীবন খোঁজে এই ছবিতে। মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন এলেন বার্সটিন। এর জন্য বাফটা আর অস্কারও ঘরে নেন তিনি।

গ্রে গার্ডেনস
এটি একটি মার্কিন প্রামাণ্যচিত্র। মুক্তি পায় ১৯৭৫ সালে। দরিদ্র মা-মেয়ের নিত্যদিনের জীবনযাপন দেখানো হয়েছে ছবিতে।

‘আ পোর্ট্রেট অব গ’ সিনেমার দৃশ্য। আইএমডিবি
 

আ পোর্ট্রেট অব গ
প্রায় পাঁচ মিনিটের একটি ব্রিটিশ স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি এটি। বয়স্ক এক মায়ের কিছু অনুভূতি ব্যক্ত করা হয়েছে এখানে। পরিচালক মার্গারেট টেইটস ঘরোয়া ও পরীক্ষামূলকভাবে ১৯৫২ সালে ছবিটি নির্মাণ করেছিলেন।

মিল্ড্রিড পিয়ার্স
হলিউডি ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৪৫ সালে। মেয়ের সুখের জন্য হাজার পরিশ্রম করে সফল ব্যবসায়ী বনে যাওয়া মায়ের কাহিনি নিয়ে এই ছবি। চমৎকার অভিনয়ের জন্য মায়ের চরিত্র করা জোয়ান ক্রোফোর্ড পেয়েছিলেন সেরা অভিনেত্রীর অস্কার।

RELATED ARTICLES